সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

আশুরায় রোজা রাখার নিয়ম ও ফজিলত

বিডি নিউজ ৭১ ডেস্কঃ

ফজিলতপূর্ণ মহররম মাস চলছে। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন শরীফে হিজরি সনের চার মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে তাগিদ দিয়েছেন। এর মধ্যে মহররম মাস অন্যতম। এ মাস নিয়ে হাদিসেও অনেক আলোচনা রয়েছে। মহররম মাসে রোজা রাখা নিয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। মহররমের রোজার মধ্যে আশুরার রোজার ফজিলত অনেক বেশি।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে রমজান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’ (সহিহ বুখারি : ১/২১৮)

এছাড়াও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘রমজানের পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২/৩৬৮; জামে তিরমিজি, হাদিস : ১/১৫৭)

আশুরার রোজায় গুনাহ মাফ ও তাওবা কবুল : হযরত আলী (রা.)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল যে, রমজানের পর কোনো মাস রয়েছে, যাতে আমাকে রোজা রাখার জন্য আদেশ করেন আপনি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর কাছে এই প্রশ্ন জনৈক সাহাবি করেছিলেন, আমি তখন তার খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। রাসুল (সা.) উত্তরে বললেন, ‘রমজানের পর তুমি যদি রোজা রাখতে চাও তাহলে মহররম মাসে রাখো। কেননা, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন রয়েছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন’। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১/১৫৭)

নবী কারিম (সা.) অন্য এক হাদিসে বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোজার জন্য মহান আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন’। (সহিহ মুসলিম : ১/৩৬৭; জামে তিরমিজি : ১/১৫৮)

আশুরায় দুই রোজার কারণ : আশুরায় দুই রোজা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেন। এক হাদিসে আছে, ‘তোমরা আশুরার রোজা রাখো এবং ইহুদিদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে, আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখো’। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১/২৪১)

এছাড়া আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যদি আমি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোজা রাখবো’। (সহিহ মুসলিম : ১/৩৫৯)

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


© All rights reserved © 2018 bdnews71
Design & Developed by M Host BD