বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

এক সপ্তাহের মধ্যে ৮০ টাকায় পেঁয়াজ: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

বিডি নিউজ ৭১ ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘মিশরের চালানটি দেশে ঢুকলেই ৮০ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ পাবো। আরও সাত থেকে দশ দিন সময় লাগবে। আর পেঁয়াজের বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরেকটু সময় প্রয়োজন। আমাদের নিজেদের পেঁয়াজ বাজারে আসার পরে বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।’

তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে খরচ একটু বেশি পড়ছে, তবে তারপরও পেঁয়াজের বিক্রয়মূল্য একশ টাকার ওপরে যাওয়ার কথা না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কারসাজি করছেন।

বুধবার (৬ নভেম্বর) রাতে একাত্তর টিভির টকশো ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

পেঁয়াজের চাহিদার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবছর আমাদের ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন পেঁয়াজ দরকার হয়। সেখানে ৫ থেকে ৭ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, এর ৯০ ভাগেরও বেশি আসে ভারত থেকে। এবছরও সেভাবেই চলছিল। কিন্তু ভারত হঠাৎ করেই রফতানি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে চাপ পড়ে গেলো। মিয়ানমার যেহেতু আমাদের পাশে, তাই সেখান থেকে আমরা এখন নিচ্ছি। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। সেকারণে আমরা বড় ব্যবসায়ীদের বলেছি- মিশর থেকে পেঁয়াজ আনতে। দশ-বারো হাজার টন পেঁয়াজ বুকড হয়ে আছে, দুয়েকদিনের মধ্যেই ঢুকবে। আর প্রতিদিনই কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে দুশো-আড়াইশ টন পেয়াজ আসছে তুরস্ক ও মিশর থেকে। পঞ্চাশ হাজার টনের একটা বড় চালানও বুকড হয়েছে। সেটাও চলে আসবে। এরপরই দাম কমে আসবে।’

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টন করে পেঁয়াজ দেশে ঢুকছে। বাজারের দোকানে পেঁয়াজ আছে। তবে দাম বেশি। কারণ ল্যান্ডিং কস্ট বেড়েছে। মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আসছে সেটারও ল্যান্ডিং কস্ট ৪০-৪২ টাকা করে পড়ছে। কিছু ক্ষেত্রে ৬০ টাকাও খরচ পড়ছে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতে সরবরাহ খরচ আছে। তবে এরপরও বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকার ওপরে হওয়া উচিত না। বাজারে যে দামে তারা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন, সেটা বেশি। বিক্রয়মূল্য যেটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য চট্টগ্রামে গতকাল দুজন ব্যবসায়ীকে সাজাও দেওয়া হয়েছে । এটা নিয়ে আমরা চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসেছি। তারা কতো দামে বিক্রি করতে পারবে সেটা ঠিক হচ্ছে। কোথাও কোথাও আমরা দেখছি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজি। সেখানেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার তাদের (ব্যবসায়ীদের) সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বারবারই কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা কথা রাখেননি। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে একজন ডেপুটি-সেক্রেটারিকে চট্টগ্রামে পাঠিয়েছি। তাকে সেখানে থেকেই পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তারপরও আমরা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


© All rights reserved © 2018 bdnews71
Design & Developed BY N Host BD